Habibur Rahman

মোবাইলে মেসেজে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ফতুয়া নিতে মুফতির দারস্ত স্বামী

মণিরামপুর(যশোর)অফিস: জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন এর কর্মী জিয়াউর রহমান তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে মোবাইল ফোনে মেসেজের মাধ্যমে তালাক দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জিয়ার তার শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করার একপর্যায়ে মোবাইলে মেসেজ দিয়ে স্ত্রীকে জানিয়ে দেয়, আমার বাড়িতে আসলে তোকে তালাক দেওয়া হবে। এ ঘটনার প্রায় ১৫দিন পর স্ত্রী তার শ্বশুর বাড়িতে এসে ঘর সংসার শুরু করে।

একপর্যায়ে গত তিন দিন পূর্বে শ্বশুর বৌমাকে অবৈধ বলে দাবি করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার হায়াতপুর গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে জিয়াউর রহমানের সাথে শার্শা উপজেলার টের্গ্রারাইল গ্রামের কালামের মেয়ের দীর্ঘ আট-দশ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিয়ে হয়।

বর্তমান তাদের ঘরে একটা কন্যা সন্তান রয়েছে। জানা যায়, স্বামী জিয়াউর রহমান ডুমুরিয়া জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনে কর্মরত রয়েছে।

সে দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রীর সাথে গোলযোগ করে আসছে। গত ২ মাস আগে জিয়াউর রহমান শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া বিবাদ করে একপর্যায়ে বাড়িতে এসে গত ১৫ আগষ্ট স্ত্রীর মোবাইলে মেসেজ পাঠায়।

যে তুই কোন প্রকার আমার বাড়িতে আসলে তোকে তালাক দেয়া হবে। এরপর থেকে স্বামী জিয়াউর রহমান স্ত্রীর সাথে কোন যোগাযোগ রাখে না। কোন উপায় না পেয়ে স্ত্রী তার কন্যা সন্তানকে নিয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর শ্বশুরবাড়িতে চলে আসে।

সেই থেকে শ্বশুরবাড়িতে থাকলেও কোন কথা না উঠলেও গত তিন চার দিন আগে জিয়াউরের পিতা আব্দুস সাত্তার বৌমাকে বলে তুমি অবৈধ তোমাকে আর বাড়িতে রাখা যাবে না।

তেমন কি শশুর আর বৌমার উপর বিভিন্ন ভাবে মানসিক যন্ত্রণা দিতে থাকে। একপর্যায়ে বৌমা সহ্য করতে না পেরে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘর থেকে বেরিয়ে প্রশাসনের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেখানেও শশুর শাশুড়ি তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারা মুখি হয়।

এদিকে সুচতুর জিয়ার এর পিতা আব্দুস সাত্তার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বৌমার পিতা কে সংবাদ দিয়ে এনে তার কাছে বৌমাকে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এবং পাঁচ দিন পর বিষয়টি নিয়ে মসলা জানার জন্য মুফতিদের কাছে যাওয়া হবে বলে তাদের পরিবারকে বোঝান।

এ বিষয়ে কথা হয় স্বামী জিয়াউর রহমানের সাথে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন আমি ২০ তারিখে ভয় দেখানোর জন্য এই মেসেজ দিয়েছি আমি তাকে তালাক দেয় নি কত হয় ডিয়ার এর পিতা আব্দুস সাত্তার এর সাথে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন ইসলামী শরীয়া মোতাবেক তালাকের বিষয়টি এসে যায় যার

কারণে আমি মুক্তি দের কাছ থেকে মসলা নেওয়ার পর জন্য আপাতত বৌমাকে তার পিতার সাথে পিত্রালয় পাঠানোর ব্যবস্থা করি করেছি কথা হয় মেয়ের পিতা মেয়ের সাথে তিনি বলেন আমার স্বামী আমাকে মোবাইলে মেসেজ দেওয়ার পর কোন

যোগাযোগ না করায় আমি পিত্রালয় থেকে শ্বশুরবাড়িতে চলে আসি প্রায় এক মাস পর আমার শ্বশুর আমাকে অবৈধ বৌমা বলে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে আমি যেতে না চাইলে

আমার পিতা কে ডেকে এনে কৌশলে তার সাথে আমাকে পাঠিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করায় এ বিষয়ে মেয়ের পিতা আবুল কালাম জানান আমার বিয়াই মশাই হঠাৎ করে আমাকে ফোন করে ডেকে এনেছে।

কোন বিষয় বুঝে উঠার আগেই আমার আমার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে একপর্যায় মেয়েকে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়। তিনি আরো জানান, এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে আসে ও তাদের নির্দেশনা মোতাবেক আমার বিয়াই মশাই

বৌমাকে বাড়িতে রেখে আমাদের নিয়ে শনিবার মুফতিদের কাছে মসলা নিতে যাবে বলে সিদ্ধান্ত হয় এ বিষয়ে মেয়ের চাচা জানাই মুক্তির কাছে যাওয়া হয়েছিল সেখানে এক তালাক বলে গণ্য হয়েছে

সাথে সাথে উভয়ের ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটনাটি ঘটেছে যার কারণে বউ বল তবে শ্বশুরবাড়িতে থাকতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

admin: